|
● ১৯৫৭ — ২০২৬ · ৬৯ বছরের পথচলা

বাংলাদেশ শিশু কল্যাণ পরিষদ
বাশিকপ — বাশিশক

✍️ লেখক: নাসের ইকবাল যাদু — যুগ্ম সম্পাদক, বাশিকপ

দেশের অন্যতম প্রাচীন অলাভজনক শিশুকল্যাণধর্মী স্বেচ্ছাসেবী প্রতিষ্ঠান। ১৯৫৭ সালের ১৪ সেপ্টেম্বর ১৫টি শিশু-কিশোর সংগঠন নিয়ে যাত্রা শুরু — বর্তমানে ৯টি জাতীয় ও ৩১টি স্থানীয়সহ মোট ৪০টি সংগঠনের সমন্বিত নেটওয়ার্ক।

৪০অন্তর্ভুক্ত সংগঠন
১৯৫৭প্রতিষ্ঠা
১০৭কাউন্সিলর
১৫০শয্যা (নতুন ভবন)
সমাজসেবা নিবন্ধন নং-২০১ এনজিও ব্যুরো নং-৪৯৯

📜 বৈধ অবস্থান

সমাজসেবা অধিদপ্তর নিবন্ধন ২০১ এবং এনজিও বিষয়ক ব্যুরো নিবন্ধন ৪৯৯। সরকার ও দাতা সহায়তায় পরিচালিত স্বচ্ছ অডিটেড প্রতিষ্ঠান।

অলাভজনক স্বেচ্ছাসেবী নেটওয়ার্কিং

🎯 দ্রুত পরিচিতি

যাত্রা শুরু১৪ সেপ্টেম্বর ১৯৫৭
সদর দপ্তরঢাকা, নিজস্ব ভবন
নতুন ভবন৭ তলা · ১ আগস্ট ২০২৬ চালু

🌱 সূচনা ও ঐতিহ্য

১৯৫৭ থেকে

বাংলাদেশ শিশু কল্যাণ পরিষদ—বাশিকপ দেশের প্রাচীনতম অলাভজনক, শিশুকল্যাণধর্মী স্বেচ্ছাসেবী সংস্থাগুলোর অন্যতম। বর্তমানে ৯টি জাতীয় ও ৩১টি স্থানীয়সহ মোট ৪০টি শিশু-কিশোর সংগঠনের সমন্বয়ে পরিচালিত এই পরিষদ ১৯৫৭ সালে দেশের প্রথিতযশা সংগঠকদের উদ্যোগে আহ্বায়ক কমিটি গঠনের মধ্য দিয়ে যাত্রা শুরু করে এবং একই বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর ১৫টি সংগঠন নিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যক্রম শুরু করে। শুরু থেকেই শিশু অধিকার প্রতিষ্ঠা, প্রতিভা বিকাশ এবং অন্তর্ভুক্ত সংগঠনগুলোর মধ্যে নেটওয়ার্কিং—এই তিনটি ছিল মূল ভিত্তি।

যাত্রার শুরুতে তৎকালীন আর্ট কলেজ (বর্তমান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় চারুকলা ইনস্টিটিউট) প্রাঙ্গণে শিশুদের জন্য কলাভবন স্থাপন করা হয়। ষাটের দশকে দেশে প্রথমবারের মতো প্রতিবন্ধী শিশু জরিপ, ফিজিওথেরাপি চিকিৎসা ও প্রশিক্ষণ কার্যক্রম গ্রহণ করে বাশিকপ অগ্রণী ভূমিকা পালন করে; পাশাপাশি শারীরিক, চারিত্রিক, মানসিক ও মেধা বিকাশে সাহিত্য আসর ও শিশু পাঠাগার গড়ে তোলা হয়।

ধারাবাহিক কার্যক্রমের অংশ হিসেবে শিশু–কিশোরদের ক্রীড়া, সাহিত্য ও সংস্কৃতি প্রতিযোগিতার মাধ্যমে সুকুমারবৃত্তি বিকাশে উৎসাহ ও প্রশিক্ষণ প্রদান; অঙ্গ–সংগঠনগুলোর মাধ্যমে শিশু অধিকারভিত্তিক কর্মসূচি বাস্তবায়ন; এবং বিশেষভাবে অবহেলিত, সুবিধাবঞ্চিত, দুস্থ ও প্রতিবন্ধী শিশুদের পুষ্টি, চিকিৎসা, শিক্ষা ও পুনর্বাসনে সহায়তা—এই তিন ধারায় বাশিকপ কাজ করে আসছে। এই ঐতিহ্যের ধারাবাহিকতাই পরবর্তী অংশে বর্ণিত লক্ষ্য–রূপকল্প–অভিলক্ষ্যে প্রতিফলিত হয়েছে।

প্রতি বছর জাতীয় শিশু দিবস, শিশু অধিকার সপ্তাহ, বিশ্ব শিশু দিবস, কন্যা শিশু দিবস, মহান স্বাধীনতা ও বিজয় দিবস, আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস, বাংলা বর্ষবিদায়–বর্ষবরণ, জাতীয় ও বিশিষ্ট ব্যক্তি স্মরণে আলোচনা, নানা প্রতিযোগিতা, পুষ্টি–স্বাস্থ্য কর্মসূচি এবং জাতীয় ও আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী ও অটিজম দিবসসহ নানা আয়োজন নিয়মিতভাবে পালিত হয়। এর পাশাপাশি শিশু অধিকার ও সচেতনতা বিষয়ে সেমিনার, ওয়ার্কশপ, আলোচনা সভা ও জরিপ কার্যক্রম পরিচালিত হয়।

👧👦

ক্রীড়া·সাহিত্য·সংস্কৃতি প্রতিযোগিতা

🏥

পুষ্টি·চিকিৎসা·পুনর্বাসন

🎪

দিবস উদযাপন·সেমিনার·জরিপ

বৈধ অবস্থান: সমাজসেবা অধিদপ্তর নিবন্ধন নং-২০১, এনজিও ব্যুরো নিবন্ধন নং-৪৯৯।

🎯 Goal · Vision · Mission · Aim

ঐতিহ্য থেকে লক্ষ্যে

সূচনা–পর্বে বর্ণিত ঐতিহ্যের ওপর দাঁড়িয়ে বাশিকপ–এর লক্ষ্য, রূপকল্প, অভিলক্ষ্য ও মূল উদ্দেশ্য নিচে সংক্ষেপে তুলে ধরা হলো — যা পরবর্তী ১৪ দফা কর্মসূচির ভিত্তি।

GOAL

লক্ষ্য

ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে জাতির উপযোগী নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলায় সহায়তা প্রদান। ঝুঁকিপূর্ণ শিশুশ্রম, শিশু নির্যাতন ও শিশু পাচার রোধ এবং জাতিসংঘ শিশু অধিকার ও প্রতিবন্ধী শিশুর অধিকার সনদ এবং শিশু ও প্রতিবন্ধী শিশু আইন বাস্তবায়ন ও সমুন্নত রাখায় সহায়তা প্রদান।

VISION

রূপকল্প

বাশিকপ একটি সুস্থ ও বৈষম্যহীন সমাজের স্বপ্ন দেখে যেখানে পিছিয়ে পড়া শিশু বিশেষত প্রতিবন্ধী ও সুবিধাবঞ্চিতরা সমাজের মূলধারার সাথে জাতীয় জীবনে সমস্ত সুযোগ ও অধিকার লাভে সামর্থ্য হবে এবং সমঅধিকার, সুবিধা, অংশীদারিত্ব সমভাবে লাভ ও ভোগ করে প্রতিষ্ঠিত হয়ে সমাজ ও জাতির সামগ্রিক উন্নয়ন প্রক্রিয়ায় সমভাবে অবদান রাখতে সক্ষম হবে।

MISSION

অভিলক্ষ্য

বাশিকপ সকল শিশুদের পাশাপাশি পিছিয়ে থাকা সুবিধাবঞ্চিত ও প্রতিবন্ধী শিশুদের জন্য পরিকল্পিত উদ্যোগ গ্রহণে অঙ্গীকারাবদ্ধ। নির্যাতন, অবৈধ ব্যবহার, ঝুঁকিপূর্ণ শ্রম, হয়রানি, পাচার, বাল্যবিবাহ ইত্যাদি রোধ; সকলের জন্য শিক্ষার সুযোগ, সুবিধা, উপকরণ সামগ্রী ও ব্যবস্থাপনা; পরিবেশ-জেন্ডার ও দুর্যোগ-দুরাচারের বিরুদ্ধে সহায়তা; সকল শিশুর মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করা, বিনোদন ব্যবস্থা, উন্নয়ন কর্মসূচিতে অংশগ্রহণের সুযোগ সৃষ্টি, সামাজিক নিরাপত্তা ও দূষণমুক্ত পরিবেশ সৃষ্টিতে উদ্যোগ গ্রহণ করা; সর্বোপরি শিশুদের সামগ্রিক প্রতিভা বিকাশে প্রয়োজনীয় সুযোগ ও সহায়তা প্রদান করা।

AIM

উদ্দেশ্য

শিশুদের সামগ্রিক উন্নয়নের ধারাকে সমুন্নত রাখাই বাশিকপ-এর মুখ্য উদ্দেশ্য।

📋 লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য — ১৪ দফা

কর্মসূচি

উপরের রূপকল্প–অভিলক্ষ্য বাস্তবায়নে বাশিকপ যে ১৪টি সুনির্দিষ্ট উদ্দেশ্যকে সামনে রেখে কাজ করে, তা নিচে দেওয়া হলো — যা পরিচালনা–পদ্ধতি ও অর্থ–ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে বাস্তবায়িত হয়।

ক

শিশু অধিকার ও মৌলিক অধিকার বিষয়ে নাগরিক সচেতনতা সৃষ্টি ও বৃদ্ধি।

খ

শিশু পাচার, ঝুঁকিপূর্ণ শ্রম ও বাল্যবিবাহ রোধ।

গ

শিশু প্রতিভা বিকাশের সুযোগ সৃষ্টি ও সুবিধা বৃদ্ধি।

ঘ

সুবিধাবঞ্চিত, দুস্থ, প্রতিবন্ধী শিশুদের পুষ্টি-চিকিৎসা-পরিচর্যায় সক্ষম জনগোষ্ঠীতে রূপান্তর।

ঙ

প্রতিবন্ধী শিশুদের সুস্থ মানসিক বিকাশে শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড।

চ

আর্থ-সামাজিক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণে প্রতিবন্ধী শিশুদের ক্ষমতায়ন।

ছ

জাতীয় উন্নয়নের মূলধারার সাথে এসব শিশুকে সংশ্লিষ্ট করা।

জ

প্রতিবন্ধকতা লাঘবে সচেতনতা, পুষ্টি সেবা, মায়েদের পরিবার পরিকল্পনা ধারণা ও চিকিৎসা উন্নয়ন।

ঝ

শিশু উন্নয়নে অন্তর্ভুক্ত সংগঠনগুলোর সক্ষমতা বৃদ্ধিতে সহায়তা।

ঞ

দেশব্যাপী শিশু কল্যাণ প্রতিষ্ঠানের সাথে নেটওয়ার্কিং।

ট

শিশু বিষয়ক প্রশিক্ষণ, শিক্ষা ও গবেষণা ব্যবস্থা।

ঠ

পরিবেশ, HIV/AIDS, ক্যান্সারসহ মারণব্যাধি থেকে শিশুদের রক্ষা।

ড

মা ও শিশুর পুষ্টি নিশ্চিতকরণ ও সচেতনতা।

ঢ

শিশু মৃত্যুহার হ্রাসে সচেতনতা সৃষ্টি।

১৪ দফা কর্মসূচির ঐতিহাসিক শেকড়ে যেতে ফিরে দেখা যাক যাঁদের হাতে ১৯৫৭ সালে বাশিকপ–এর ভিত্তি স্থাপিত হয়েছিল — তাঁদের থেকেই শুরু হয়ে আজকের নেতৃত্ব–পরম্পরা।

🏛️ প্রতিষ্ঠাতা এডহক কমিটি — ১৯৫৭

৫ সদস্য
👩‍⚕️

ড. আমিনা রহমান

আহ্বায়ক
ব্যক্তিগত সদস্য
👨‍🏫

রোকনুজ্জামান খান দাদাভাই

সদস্য
কচি কাঁচার মেলা
🧑‍💼

মোহাম্মদ মোদাচ্ছের বাগবানভাই

সদস্য
কেন্দ্রীয় মুকুল ফৌজ
📗

জালাল উদ্দীন আহমেদ

সদস্য
পূর্ব পাকিস্তান সবুজ সেনা
⚓

কমান্ডার আবদুর রশীদ

সদস্য
পূর্ব পাকিস্তান বয়স্কাউট
প্রতিষ্ঠাতা এডহক কমিটির পর থেকে ১৯৫৭–২০২৭ পর্যন্ত ১৮টি কার্যকালে যাঁরা সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন, তাঁদের ধারাবাহিক তালিকা নিচে দেওয়া হলো — যা বর্তমান ৪০ সংগঠনের নেটওয়ার্কের ঐতিহাসিক ভিত্তি।

👑 বিভিন্ন কার্যকালের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক

১৯৫৭ — ২০২৭ (১৮ কার্যকাল)
১৯৫৭–১৯৬১কার্যকাল

সভাপতি: সামছুন্নাহার মাহমুদ

সাধারণ সম্পাদক: আবেদা ওবায়েদ মহামেদ

১৯৬১–১৯৬৩কার্যকাল

সভাপতি: সামছুন্নাহার মাহমুদ

সাধারণ সম্পাদক: মেহের কবীর

১৯৬৩–১৯৬৫কার্যকাল

সভাপতি: রোকেয়া আনোয়ার

সাধারণ সম্পাদক: মেহের কবীর

১৯৬৫–১৯৭৫কার্যকাল

সভাপতি: ফিরোজা বারি

সাধারণ সম্পাদক: রোকেয়া মান্নান

১৯৭৫–১৯৭৭কার্যকাল

সভাপতি: ফিরোজা বারি

সাধারণ সম্পাদক: জোবেদা খানম

১৯৭৭–১৯৮১কার্যকাল

সভাপতি: ফিরোজা বারি

সাধারণ সম্পাদক: কাজী আনোয়ারুল করিম

১৯৮১–১৯৮৩কার্যকাল

সভাপতি: ফিরোজা বারি

সাধারণ সম্পাদক: খন্দকার কামজুল ওয়ারা (বাবুভাই)

১৯৮৩–১৯৮৫কার্যকাল

সভাপতি: আলহাজ্ব নাজির হোসেন

সাধারণ সম্পাদক: খন্দকার কামজুল ওয়ারা (বাবুভাই)

১৯৮৬–১৯৮৮কার্যকাল

সভাপতি: ড. নীলিমা ইব্রাহিম

সাধারণ সম্পাদক: কাজী আনোয়ারুল করিম

১৯৮৮–১৯৯০কার্যকাল

সভাপতি: মজিবুর রহমান এডভোকেট

সাধারণ সম্পাদক: অধ্যাপিকা বশিরা মান্নান

১৯৯০–১৯৯৬কার্যকাল

সভাপতি: আলহাজ্ব নাজির হোসেন

সাধারণ সম্পাদক: অধ্যাপিকা বশিরা মান্নান

১৯৯৬–২০০০কার্যকাল

সভাপতি: মিস জিনাত আহমেদ

সাধারণ সম্পাদক: অধ্যাপিকা বশিরা মান্নান

২০০০–২০০২কার্যকাল

সভাপতি: এস. এম কামাল উদ্দিন

সাধারণ সম্পাদক: অধ্যাপিকা বশিরা মান্নান

২০০২–২০০৪কার্যকাল

সভাপতি: মিরজাহান উদ্দিন আহমেদ (রিপন)

সাধারণ সম্পাদক: নুরুল করিম চৌধুরী জিন্নাহ

২০০৪–২০০৬কার্যকাল

সভাপতি: অধ্যাপিকা বশিরা মান্নান

সাধারণ সম্পাদক: মাহমুদুর রহমান

২০০৬–২০১৮কার্যকাল

সভাপতি: শাহ আলমগীর

সাধারণ সম্পাদক: নুরুল করিম চৌধুরী জিন্নাহ

২০১৯–২০২০কার্যকাল

সভাপতি: সেলিনা খালেক

সাধারণ সম্পাদক: মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান আলম

২০২১–২০২৭কার্যকাল

সভাপতি: ডা. মাখদুমা নার্গিস

সাধারণ সম্পাদক: মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান আলম

ধারাবাহিক নেতৃত্বের হাতে গড়ে ওঠা এই পরিষদ আজ ৪০টি সংগঠনের সমন্বিত নেটওয়ার্ক — নিচে বর্তমান অন্তর্ভুক্ত সংগঠনগুলোর পূর্ণ তালিকা দেওয়া হলো, যাদের নিয়ে ভবিষ্যৎ ভবনে আগামী দিনের কর্মসূচি পরিচালিত হবে।

🤝 বর্তমান অন্তর্ভুক্ত সংগঠনসমূহ — ৪০টি

৯ জাতীয় + ৩১ স্থানীয়
১কেন্দ্রীয় মুকুল ফৌজ
২বাংলাদেশ সবুজ সেনা
৩বাংলাদেশ পরিবার পরিকল্পনা সমিতি
৪বাংলাদেশ মহিলা সমিতি
৫বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ
৬কেন্দ্রীয় চাঁদের হাট
৭আজাদ মুসলিম ওয়েলফেয়ার কমপ্লেক্স
৮শিল্পায়ন ইন্ডাস্ট্রিয়াল হোম
৯গেন্ডারিয়া মহিলা সমিতি
১০বাংলাদেশ শিশু রক্ষা সমিতি
১১বাংলাদেশ চাঁদের হাট
১২নারিন্দা মহিলা সমিতি
১৩আজিমপুর লেডিস ক্লাব ও কালচারাল সেন্টার
১৪ওয়ারী মহিলা সমিতি
১৫পল্লী উদ্যোগ কেন্দ্র
১৬কিশোর মেলা
১৭সুকান্ত একাডেমী
১৮ফুলকুঁড়ি আসর
১৯কেন্দ্রীয় নবাঙ্কুর মেলা
২০নবীন গোষ্ঠী
২১চাঁদের কণা
২২কেন্দ্রীয় কচি কণ্ঠের আসর, বাংলাদেশ
২৩বিবর্তন সংঘ
২৪হাজারীবাগ প্রগতি সংঘ
২৫চিলড্রেন এডভান্সমেন্ট প্রোগ্রাম (ক্যাপ)
২৬মেট্রো ঢাকা চাইল্ড ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েশন
২৭থ্রি-স্টার কো-অপারেটিভ মাল্টিপারপাস সোসাইটি লিঃ
২৮আজাদ মুসলিম মহিলা পরিষদ
২৯সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট ফাউন্ডেশন
৩০শিশু নিকেতন
৩১বকুল ফুলের মেলা
৩২শিশুদের মুক্তবায়ু সেবন সংস্থা- বাংলাদেশ
৩৩শিশু উন্নয়ন পরিষদ
৩৪সমন্বিত গ্রাম উন্নয়ন সংস্থা (ভিডা)
৩৫কনফার্ম ডেভেলপমেন্ট এসোসিয়েশন
৩৬শাপলা সমাজ উন্নয়ন সংস্থা
৩৭টুগেদার ফর দি হেল্পলেস পিপলস
৩৮শিশু মুক্তি ওয়েলফেয়ার প্রোগ্রাম
৩৯সূচনা
৪০নারী ও শিশু উন্নয়ন পরিষদ-ঢাকা
১৪ দফা কর্মসূচি কীভাবে বাস্তবায়িত হয় — নিচে পরিচালনা–কাঠামো ও অর্থ–ব্যবস্থাপনার সংক্ষিপ্ত চিত্র দেওয়া হলো, যা ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার ভিত্তি তৈরি করেছে।

⚙️ পরিচালনা পদ্ধতি

অন্তর্ভুক্ত সংগঠনগুলোর মধ্যে জাতীয় সংগঠন থেকে ৫ জন ও স্থানীয় সংগঠন থেকে ২ জন করে প্রতিনিধির দ্বারা মোট ১০৭ জন কাউন্সিলরের সমন্বয়ে গঠিত সাধারণ পরিষদের মাধ্যমে বাশিকপ পরিচালিত হয়। সাধারণ পরিষদই হচ্ছে বাশিকপ-এর সর্বোচ্চ কর্তৃপক্ষ। সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে সাধারণ পরিষদ কর্তৃক গঠিত ২৫ সদস্যের কার্যনির্বাহী পরিষদ ৩ বছর মেয়াদের জন্য বাশিকপ-এর কার্যক্রম পরিচালনা করে। সাধারণ সম্পাদক নির্বাহী প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। বাশিকপ-এর কার্যক্রমসমূহ অধিকতর কার্যকর ও সাফল্যমণ্ডিত করার জন্য গঠিত স্থায়ী উপ-কমিটিসমূহের মাধ্যমে সুপারিশ গ্রহণ করা হয়। কার্যনির্বাহী পরিষদ নিয়মিত মাসিক সভায় মিলিত হয়ে প্রয়োজনীয় মূল্যায়ন, পর্যালোচনা, নীতিমালা ও কার্যক্রম, সাংগঠনিক ও অর্থনৈতিক পরিকল্পনা ও কর্মসূচি সংক্রান্ত বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। অর্ধবার্ষিক, বার্ষিক, ত্রিবার্ষিক ও নিয়মিত সাধারণ সভায় বাশিকপ-এর কর্মসূচি, প্রশাসন ও অর্থনীতি বিষয়ক প্রতিবেদন তুলে ধরে সাধারণ সদস্যদের কাছ থেকে সংশ্লিষ্ট সামগ্রিক বিষয়ে নীতিমালা, পরিকল্পনা, কর্মসূচি, ইত্যাদি প্রণয়ন ও অনুমোদন করানো হয়। সদর দফতরসহ অন্যান্য কর্মসূচি ও প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য বিভিন্ন পর্যায়ে অভিজ্ঞ কর্মকর্তা-কর্মচারী নিয়োজিত রয়েছেন। একজন পরিচালকের নেতৃত্বে প্রতিটি কার্যক্রম ও কর্মসূচির জন্য দায়িত্ব দিয়ে তাদের মাধ্যমে সুচারুরূপে কার্যাদি সুসম্পন্ন করা হয়ে থাকে। চাকরি বিধি প্রণয়নের মাধ্যমে তাদের পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণ করা হয়।

১০৭ কাউন্সিলর২৫ নির্বাহী৩ বছর মেয়াদ

💰 তহবিল ও অর্থ ব্যবস্থাপনা

সরকার, সরকারী ও স্বায়ত্তশাসিত সংস্থা, দাতা ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান এবং বিভিন্ন জাতীয় ও আন্তর্জাতিক দাতা সংস্থার আর্থিক অনুদান ও সহায়তায় গঠিত তহবিল দ্বারা বাশিকপ-এর কার্যক্রমসমূহ প্রতিষ্ঠিত, পরিচালিত ও বৃদ্ধি লাভ করেছে। বর্তমানে বাশিকপ সদর দফতরে অবস্থিত নিজস্ব ভবনসমূহের অতিরিক্ত স্থান, মিলনায়তন, কনফারেন্স রুম ও প্রাঙ্গণের ভাড়াই আয়ের প্রধান উৎস। নিয়মিত অভ্যন্তরীণ অডিট এবং বছরান্তে দেশের প্রতিষ্ঠিত আন্তর্জাতিক মানের অডিট ফার্ম দ্বারা অডিটের মাধ্যমে পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে বাশিকপ-এর আয়-ব্যয় নিরীক্ষণ, নিয়ন্ত্রণ, পরিচালনা ও সংরক্ষণ করা হয়। সফটওয়্যার স্থাপন করে হিসাব ও এতদসংক্রান্ত কার্যক্রমগুলো এর আওতাভুক্ত করা হয়েছে। পরিষদের হিসাবকে অধিকতর স্বচ্ছ ও কার্যকর করার জন্য একটি নীতিমালা অনুমোদনের জন্য প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

✓ স্বচ্ছ হিসাব · ✓ বার্ষিক অডিট · ✓ ডিজিটাল হিসাব ব্যবস্থা
২০২৬ আপডেট

ভবিষ্যত পরিকল্পনা

সকল শিশুর অধিকার বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় গবেষণা ও উদ্যোগসহ তাদের সার্বিক বিকাশ, গঠন ও উন্নয়নে যাবতীয় সুযোগ সৃষ্টি এবং এতদসংশ্লিষ্ট নানা কর্মসূচি ও কার্যক্রম পরিচালনার উদ্দেশ্যে নিজস্ব জমিতে শিশু কল্যাণ ভবন নামে বহুতল ভবন নির্মাণের পরিকল্পনা নিয়ে ১০ বছরেরও অধিক সময় যাবত বাশিকপ কাজ করেছে। এর অংশ হিসাবে বর্তমান সভাপতি বীরমুক্তিযোদ্ধা ডা. মাখদুমা নার্গিস ও তাঁর বোনদের দানকৃত এক কোটি বিয়াল্লিশ লক্ষ টাকার সাথে পরিষদ তহবিলের সঞ্চিত অর্থ যুক্ত করে রাজউক অনুমোদিত ব্যারিস্টার আব্দুল গনি খান ও বাশিকপ ভবন নামে একটি আধুনিক ৭ তলা ভবন নির্মাণের উদ্যোগ হাতে নেয়া হয়। প্রথম পর্যায়ে ভবনটির তিনতলা পর্যন্ত নির্মাণ কাজ সমাপ্ত করে গত ১ আগস্ট, ২০২৬ থেকে নতুন ভবনে সম্প্রসারিত কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে।

১৫০শয্যা (আভ্যন্তরীন)
৭তলা ভবন
৩তলা চালু

বর্তমানে প্রতিবন্ধী শিশুসহ সকলের জন্য আভ্যন্তরীন চিকিৎসা বিভাগ ১৫০ শয্যায় উন্নীত করা হয়েছে। প্রয়োজনীয় সংখ্যক নতুন জনবল নিয়োগ করে বহির্বিভাগের চিকিৎসা ও পুনর্বাসন সেবা কার্যক্রমকে সম্প্রসারণ করার পাশাপাশি অত্যাধুনিক নতুন মিলনায়তন ও কনফারেন্স রুম সজ্জিত করে চালু করা হয়েছে। সন্তোষজনক অগ্রগতিতে ভবনের বাইরের অংশসহ প্রবেশ মুখ ও প্রাঙ্গণের সৌন্দর্যকরণের কাজ এগিয়ে চলেছে। খুব শীঘ্রই কাজগুলো সুসম্পন্ন হয়ে শিশু বন্ধুসহ সকলের জন্য মনোমুগ্ধকর ও মনোরম একটি নান্দনিক পরিবেশ সৃষ্টি হবে বলে আশা করা যাচ্ছে। এর ফলে পরিষদের কার্যক্রমসমূহ সম্প্রসারিত আকারে পরিচালনার পাশাপাশি অতিরিক্ত অংশের ভাড়ার মাধ্যমে উপার্জিত নিয়মিত আয়ে বাশিকপ তার সমস্ত কার্যক্রম, কর্মসূচি ও প্রকল্প বাস্তবায়নে ব্যয় নির্বাহসহ অন্তর্ভুক্ত সংগঠনগুলোকে শক্তিশালীকরণে সহায়ক ভূমিকা রাখতে এবং একটি স্বয়ংসম্পূর্ণ প্রতিষ্ঠান হিসেবে একে গৌরবের স্থানে দাঁড় করাতে সক্ষম হবে।

🏢

ব্যারিস্টার আব্দুল গনি খান ভবন

রাজউক অনুমোদিত · ৭ তলা · শিশুবান্ধব নান্দনিক পরিবেশ

🩺 ইনডোর + আউটডোর 🎤 মিলনায়তন

আরও জানতে যোগাযোগ

বাশিকপ সদর দপ্তর · নিজস্ব ভবনে সেবা ও তথ্য কেন্দ্র