হাসির আড্ডা — সেপ্টেম্বর ২০২৬
বন্ধুদের ১০টি মজার কাণ্ড — একসাথে হাসির আড্ডা!
বন্ধুদের আড্ডা চলছে। এক বন্ধু বললো- বলতো কী দেখলে ঘুম ভাঙ্গে? সবাই মাথা চুলকাতে চুলকাতে বলল, জানি না। এবার প্রশ্নকর্তা বন্ধুটি বললো, ঘুম ভাঙলে!
আচ্ছা বল তো, বিজ্ঞানীরা বলে মানুষের শরীরের ৭০ ভাগই পানি। তাহলে শরীর কাটলে রক্ত বের হয় কেন?
বল তো, আমরা মায়ের পেটে না বাবার পেটে জন্মাই? সব বন্ধুরা একসাথে বলে, মায়ের পেটে। বন্ধুটি গম্ভীর হয়ে বলে, তাহলে সবাই কেন বলে ‘বাপের বেটা’?
জানিস ক’দিন আগে আমি এক বাঘকে প্রচণ্ড এক ঘুষি মারলাম, তাতে ওর দাঁত ভেঙে গেল। সবাই মুচকি হেসে বলে, চাপা মারিস না। আচ্ছা বল তারপর কী হলো? কী আর হবে? ঘুম ভেঙে গেল সাথে সাথে!
আচ্ছা আমি মশা নিয়ে গবেষণা করতে চাই। কোথায় পাব মশা? বন্ধুদের একজন বলে, তোকে কষ্ট করতে হবে না। সন্ধ্যায় মশারা তোকেই খুঁজে বের করবে!
জানিস এবার গ্রীষ্মকালে একবার রমনা পার্কে গিয়েছিলাম। জাম গাছের নিচে বসে ছিলাম, আমার মাথায় একটা জাম পড়েছিল। এক বন্ধু বলে, ছোট্ট জাম তো, তাই তুই কিছুই আবিষ্কার করতে পারিসনি। আপেল পড়লেই না…! (নিউটন)
বন্ধুটি আবার বলে, ১ থেকে ১০ কে দ্রুত গুনতে পারবি? সবাই গোনে। বন্ধুটি বলে হলো না। এই বলে সে গোনে ১,২,৪,৬,৮,১০। অন্যরা বলে, বানে! বিজোড় সংখ্যা গেল কই? বন্ধুটি ভাব নিয়ে বলে, আরে বোকারা, ঢাকা শহরে জ্যামের মধ্যে বিজোড়গুলো আটকে আছে!
হঠাৎ বন্ধুটি দেখে সবাই যেন কি খাচ্ছে। জিজ্ঞেস করে কিরে তোরা কি খাচ্ছিস? সবাই একসাথে বলে আমরা আমরা খাচ্ছি। আরে আমি সেটাই তো জানতে চাচ্ছি? হ্যাঁ সেটাই তো বলছি, আমরা আমড়া খাচ্ছি!
১ম বন্ধুকে সবাই বলে কিরে, তোর বাগানের করলা তো বড় হয়ে গেছে। পাড়িস না কেন? বন্ধুটি বলে, ধৈর্য ধরে আছি। পরে পাড়ব। জানিস তো প্রবাদে আছে ‘ধৈর্যের পর মিষ্টি হয়!’
বলতো ঘড়ি কেন ডানে ঘুরে? বামে ঘোরার সময় পায় না, তাই।
উৎস: 03. Chottoder Vubon / হাসির আড্ডা.doc (১-১০) — একত্রিত